আজ ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৮ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ঘাটাইলে গৃহবধুকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে রাতে বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ইয়ার মাহমুদ ওরফে মামুন (৪৫) নামের এক লম্পটের বিরুদ্ধে। সে উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের গাংগাইর গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে। উপজেলার কামালপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ প্রায় মাসখানেক পর গত ৩ জানুয়ারি রোববার   লম্পট মামুনের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মামলা দায়ের করেছেন।
এদিকে, ‘ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা মামলা তুলে নেয়ার জন্য ওই গৃৃৃহবধূ ও তার পরিবারের লোকজনকে নানা ভাবে হুঁমকি দিয়ে আসছে মামুন। পুলিশ মামলার অভিযুক্ত ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় ওই গৃহবধূ ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
ধর্ষণের স্বীকার ওই গৃহবধূ জানান- লম্পট মামুন দীর্ঘদিন ধরে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর রাতে বাড়িতে কেউ না থাকায় জোরপূর্বক তুলে নিয়ে তার ফার্মের থাকার ঘরে একাধিবার ধর্ষণ ও নির্যাতন করেন। শুধু তাই নয়, গোপনে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক গণমাধ্যমে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়া ও প্রাণে মেরে ফেলে মরদেহ গুমের হুঁমকি দেয়।’
অসহায় গৃহবধূর পরিবার সূত্রে জানা যায় ঘটনার পরদিন বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) জানাজানি হলে দফায় দফায় গ্রাম্য সালিশে কিছু টাকার বিনিময়ে মীমাংসার জন্য বলেন মাতাব্বররা। এতে রাজি না হলে ক্ষিপ্ত হয় মামুনের লোকজন। পরে মেয়েটি বিচারের আশায় একমাস পর  টাঙ্গাইল আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন।
এবিষয়ে ইয়ার মাহমুদ ওরফে মামুনের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য ওয়াজেদ আলী জানান-ধর্ষণের বিষয়টি মিমাংসার জন্য দু’পক্ষে ডেকেছিলাম। কিন্তু মামুনের পক্ষ উপস্থিত না হওয়ায় মীমাংসা হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ বিভাগের আরো সংবাদ