আজ ২৩শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

গোপালপুরে মহিলা মেম্বারের সংবাদ সম্মেলন

গোপালপুর প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের এক নারী ইউপি সদস্যকে নিয়ে  বানোয়াট অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তোলেন জোতআতাউল্লাহ গ্রামের অধিবাসী এবং ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের নারী ইউপি সদস্য নাসরীন কামাল।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ২৯ অক্টোবর গোপালপুর উপজেলা সেচ কমিটির লাইসেন্স নিয়ে জোতআতাউল্লাহ গ্রামে তিনি একটি সেচ স্ক্রীম চালু করেন। সেই সেচ স্ক্রীমের কমান্ড এরিয়ায় ড্রেনের উপর একই গ্রামের মৃত সাইদ আলীর পুত্র মগর আলী একটি অগভীর নলকূপ স্থাপন করেন। ফলে নালা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বোরা জমিতে সেচ দেয়া দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে।
প্রচলিত সেচ নীতিমালা ভঙ্গ করে অবৈধভাব স্থাপিত এ নলকূপ উচ্ছেদের জন্য তিনি গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর গত ১০ ফেব্রুয়ারি দরখাস্ত করেন। উপজেলা সেচ কমিটি সরজমিন তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা  পান। পরে সেচ কমিটি ওই অবৈধ স্ক্রিমটি উচ্ছেদ করেন। এরপর মগর আলী গং তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিলে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি গোপালপুর থানায় তিনি জিডি করেন।
সেচ স্ক্রীমের এ শত্রুতাকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় নানা বানোয়াট অভিযোগ তুলে তার ভাবমূর্তি ক্ষুন্নের অপচেষ্টা চালাতে থাকেন। এরই অংশ হিসাবে সম্প্রতি ভাড়াটে মিডিয়াকে হায়ার করে মিথ্যা সংবাদ প্রচারে লিপ্ত হন। ভাড়াটে মিডিয়া যাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদন প্রচার করেন তাদের অন্যতম হলেন সেই মগর আলী, তার ভাইয়ের স্ত্রী হাসনা বেগম এবং চাচাতো বোন হাওয়া বেগমসহ কয়েকজন। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তারা এমনটা করেছেন বলে তার অভিযোগ।
এছাড়াও সিরাজুল ইসলাম লিজু, নুরুল ইসলাম এবং বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান পিয়া ও রঞ্জু মিয়ার ভাড়াটে লোকের যোগসাজশে কথিত বাউল লিজু বাওলার বাড়িতে জোট পাকিয়ে তৈরি করা সাজানো ও বানোয়াট একটি মিথ্যা প্রতিবেদন দুটি চ্যানেলে প্রচার করেন।
তিনি আরো অভিযাগ করেন, গত ডিসেম্বরে জোতআতাউল্লাহ পাকা রাস্তা হতে রহিমের বাড়ি পর্যন্ত সরকারি গ্রামীণ রাস্তার মাটি কেটে সড়ক নিশ্চিহ্ন করা হয়। এটি নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত অভিযোগ দায়ের হলে সিরাজুল ইসলাম গং ক্ষিপ্ত হন। এর জের ধরে লিপি বেগমসহ কয়কজন ভাড়াটে মিডিয়ায় কুৎসা প্রচারে সামিল হন। তিনি সরকারি সুযোগসুবিধা পাইয়ে দেয়ার নামে কোন অনৈতিক বা অবৈধ সুযোগ গ্রহন করেননি। সামনে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। সেই নিবার্চনকে সামনে রেখে ভাড়াটে মিডিয়াকে  ব্যবহার করে তার অর্জিত সুনাম ও জনপ্রিয়তা নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র চালানো হয়েছে।
এসময় সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন মির্জাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্পাদক বেলায়ত হোসেন, কাশেম আলী, জয়নাল উদ্দীন, রুণা বেগম, ফজিলা খাতুন ও সবুরী আখতার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ বিভাগের আরো সংবাদ