আজ ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৮ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

মধুপুরে তরুণের উদ্যোগে চলছে স্কুল, তৈরি করছে হাসপাতাল

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে গঠিত হয় টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বেরীবাইদ ইউনিয়ন। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ইউনিয়নটির নেই কোনো স্থায়ী পরিষদ ভবন। ইউনিয়নের ঘন বনাঞ্চলে ঘেরা ৩নং ওয়ার্ডের একটি গ্রাম দক্ষিণ জাঙ্গালিয়া।

গ্রামটির জনসংখ্যা ৫ হাজার কিছু বেশি হলেও ভোটার সংখ্যা ১৪৭০ জন। তবে এখনও এ ওয়ার্ডের দক্ষিণ জাঙ্গালিয়া গ্রামে গড়ে উঠেনি কোনো সরকারি প্রাথমিক বা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। নেই স্বাস্থ্য সেবার কমিউনিটি ক্লিনিকও।

এর আগে গ্রামটি ছিল অরণখোলা ইউনিয়নের অর্ন্তভুক্ত। ১৯৯৬ সালে তৎকালীন অরণখোলা ইউনিয়ন পরিষদের অন্তভুক্ত হিসেবে ও বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের গুঘুদিয়া গ্রামে একটি, ৪নং ওয়ার্ডের মুগুন্তিনগর গ্রামে একটি আর ৮নং ওয়ার্ডের বৈরাগী বাজার এলাকায় নির্মিত হয় একটি কমিউনিটি ক্লিনিক।

Modhupur

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঘন বনাঞ্চল ঘেরা দক্ষিণ জাঙ্গালিয়া গ্রাম। এ গ্রামে যেমন কোনো বিদ্যালয় নেই, তেমনি নেই কোনো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। এ কারণে গ্রামের সচেতন পরিবারের সন্তানরা উপজেলা সদর অথবা সাড়ে কিলোমিটার দূরে খ্রিস্টানদের জলছত্র স্কুলে করেছে শিক্ষাগ্রহণ।

এসব ভোগান্তির কথা চিন্তা করে ২০০৮ সালে গ্রামের একজন তরুণ তার কয়েকজন বন্ধুর সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠা করে আলোর ভূবণ আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়। বর্তমানে ওই বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পড়ালেখা করছে স্থানীয় শিশুরা। ওই উদ্যোক্তাদের সহায়তায় চলতি বছরের জানুয়ারিতে শুরু হয়েছে ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণের কার্যক্রম।

ওই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বাবা ফরহাদ আলী বলেন, স্কুলটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে পড়ালেখার সুযোগ পেয়েছে গ্রামের ছেলে-মেয়েরা। বিনা পয়সায় পড়ালেখার সুযোগ পাওয়ায় গ্রামের সবাই এখন তাদের সন্তানদের লেখাপড়া করাচ্ছেন। এ সুযোগ করে দেয়ার জন্য স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা জাহাঙ্গীরের প্রশংসা আর দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন তিনি।

দক্ষিণ জাঙ্গালিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও সাপের কামড়ে মেয়ে হারানো বাবা আব্দুল হাকিমের (৭০) অভিযোগ, ঘন বনাঞ্চলে ঘেরা এ গ্রামটিতে কোনো স্বাস্থ্য সেবা ক্লিনিক না থাকায় গত ২ বছর আগে সাপের কামড়ে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করেছে তার একমাত্র মেয়ে হাঁসি আক্তার। বর্তমানে তরুণদের উদ্যোগে গ্রামটিতে একটি স্কুল গড়ে উঠায় ছেলে-মেয়েরা এখন বিনামূল্যে পড়ালেখা করতে পারছে। তেমনি তাদের উদ্যোগে নির্মাণাধীন হাসপাতালটি গড়ে উঠলেও গ্রামের মানুষ চিকিৎসা পাবেন। কাউকে আর তার মেয়ের মতো বিনা চিকিৎসা মৃত্যুবরণ করতে হবে না।

স্কুলের জমিদাতা আব্দুস সাত্তার মিয়া (৭৬) বলেন, স্থানীয় টিউবওয়েল মিস্ত্রি মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে জাহাঙ্গীর কবির (২৫)। হতদরিদ্র পরিবারের সাত ভাই-বোনের মধ্যে তৃতীয় সন্তান জাহাঙ্গীর কবির। তবে এ পরিবারের প্রতিটি সন্তান শিক্ষিত, মেধাবী আর খুবই ভালো। সকলে পড়ালেখা করে মানুষের মতো মানুষ হচ্ছে। ওই পরিবারের বড় ছেলে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছে, মেজ ছেলে সরকারি একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে আর তৃতীয় ছেলে জাহাঙ্গীর কবির বর্তমানে ঢাকা একটি বেসকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। এছাড়াও ছোট দুই বোন এখনও লেখাপড়া করছে।

তিনি জানান, ২০০৭ সালে জাহাঙ্গীর কবির জলছত্র কর্পোস খ্রিস্টি উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করা অবস্থায় স্থানীয় গ্রামের তিনটি ছেলেকে ওই স্কুলে ভর্তি করতে নিয়ে যায়। কিন্তু তাদের ভর্তি হয়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ। এ অভিমানে ২০০৮ সালে জাহাঙ্গীর নিজ উদ্যোগে এ গ্রামে আলোর ভূবণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করে। শুরুর দিকে খোলা জমিতে পলিথিনের ছাউনি দিয়ে, কখনও কখনও চায়ের স্টলে স্কুলের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা করানো শুরু করে সে। তার চেষ্টা দেখে আর মুগ্ধ হয়ে স্কুলটির ভবন নির্মাণের জন্য আমি দুই বিঘা জমি দান করি। এরপর থেকেই তার জমিতে নির্মিত টিনশেড ঘরেই চলছে ওই স্কুলের কার্যক্রম।

Modhupur

চলতি বছরের শুরুতেই জাহাঙ্গীর আবার গ্রামের চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত দরিদ্র মানুষের জন্য তার দেয়া অবশিষ্ট খালি জমিতে একটি হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। ইতোমধ্যেই ওই হাসপাতালের পুরুষ ও নারী ওয়ার্ডের জন্য নির্ধারিত ২২ হাতের একটি টিনশেড ঘরের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। এখন চলছে একটি তিনতলা ভবন নির্মাণের কাজ।

সাত্তার মিয়া আরও জানান, দানকৃত জমি হলেও এ কাজের পেছনে ব্যয়কৃত সব টাকা জাহাঙ্গীর তার চাকরির বেতন আর বন্ধুদের দেয়া সাহায্য থেকে সংগ্রহ করেছে। তবে এখনও হাসপাতালের আরও দুটি ভবন নির্মাণের জন্য জমি প্রয়োজন। ওই হাসপাতাল নির্মাণে আরও যে পরিমাণ জমির প্রয়োজন সেটি দেয়ার কথাও জানান তিনি।

আলোর ভূবণ আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোশী চাম্বুগং জাগো নিউজকে বলেন, ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও স্কুলটিতে এখন রয়েছে তিনটি ক্লাস রুম, একটি লাইব্রেরি আর একটি শিক্ষক কক্ষ। বর্তমানে শিক্ষার্থী সংখ্যা ৯৮ জন। আর শিক্ষক সংখ্যা তিনিসহ চারজন।

এ বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত চলছে পাঠদান। বিনামূল্যে পড়ানো হলে পরীক্ষার ফি বাবদ শিশু থেকে দ্বিতীয় পর্যন্ত ২০ টাকা আর তৃতীয় থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে ৫০ টাকা। সরকারি না হলেও স্কুলটিতে রয়েছে পিএসসি আর সরকারি বই পাওয়ার নিবন্ধন। স্থানীয় আর হতদরিদ্র পরিবারের শিশুদের বিনামূল্যে লেখাপড়া করানোর কারণে স্বেচ্ছাশ্রমেই এ বিদ্যালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন তারা বলেও জানান তিনি।

আলোর ভূবন স্কুল আর হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোক্তা জাহাঙ্গীর কবির জাগো নিউজকে বলেন, গ্রামে কোনো স্কুল না থাকায় অতি কষ্টে আমাকে লেখাপড়া করতে হয়েছে। বাড়ি থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরের ইদিলপুর নির্মলা মারিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছি। পরে সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরের জলছত্র কর্পোস খ্রিস্টি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেছি। এরপর মধুপুর কলেজ থেকে এইচএসসি আর ঢাকার মকবুল হোসেন ডিগ্রি কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি। ২০১৩ সাল থেকে তিনি ব্রিটিশ কাউন্সিলের ও-লেবেন প্রোগ্রামের ই-হাব সেন্টারে কর্মরত রয়েছেন।

দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় অনেক কষ্ট করে তাকে লেখাপড়া করতে হয়েছে। তবে এখনও গ্রামটির অধিকাংশ মানুষই রয়েছেন অশিক্ষিত।গ্রামটিতে কোনো স্কুল না থাকায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, গ্রামটির শিশুদের লেখাপড়ার সুযোগ সৃষ্টির ভাবনায় গত ২০০৮ সালে বন্ধুদের সহায়তায় আর স্থানীয় আব্দুস সাত্তার কাকার দানকৃত জমিতে আলোর ভূবণ আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করি। স্কুলটি প্রতিষ্ঠার পর সম্পূর্ণ বিনা পয়সায় লেখাপড়া করার সুযোগ পেয়েছে গ্রামের শিশুরা। স্কুলটি সরকারিকরণ না হলেও পিএসসি পরীক্ষা দেয়াসহ সরকারি বই পাওয়ার অনুমতি পেয়েছে। বর্তমানে স্কুল পরিচালনাকারী শিক্ষকদেরও নামমাত্র সম্মানী দেয়া হচ্ছে। তবে এখনও অবহেলিত আর ঘন বনাঞ্চলে ঘেরা এ গ্রামবাসীর স্বাস্থ্য সেবায় গড়ে উঠেনি কোনো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র।

এ কারণে আর গ্রামবাসীর বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতের ভাবনায় চলতি বছরের জানুয়ারিতে শুরু করেন ১০ শয্যা বিশিষ্ট আলোর ভূবণ হাসপাতাল নির্মাণের কাজ। বর্তমানে হাসপাতালের নারী ও পুরুষ ওয়ার্ডের জন্য টিনশেডের একটি ঘর নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে থাকলেও চলছে হাসপাতালের আউটডোর আর স্থানীয়দের অনুষ্ঠানের জন্য একটি উন্মুক্ত মঞ্চ। দ্বিতীয় তলায় হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবন আর তৃতীয় তলায় গ্যালারি নির্মাণের জন্য তিনতলা ভবন নির্মাণের কাজ।

এছাড়াও হাসপাতালের জন্য আরো দুটি ভবন নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে তার। তবে এজন্য প্রচুর টাকার প্রয়োজন।যার জোগান দেয়া তার একার পক্ষে অসম্ভব।হতদরিদ্র জনস্বার্থে নির্মাণাধীন এ হাসপাতালের জন্য দেশের সমাজ সেবী ও বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

Modhupur

হাসপাতাল নির্মাণের জন্য তিনি এখনও মন্ত্রণালয়সহ কোনো দপ্তরের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেননি। ভবন নির্মাণ শেষ হলেই মন্ত্রণালয়সহ স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের অনুমতি নেয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

বেরীবাইদ ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ড সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন, ওয়ার্ডের এ গ্রামটিতে নেই কোনো স্কুল আর স্বাস্থ্য সেবা ক্লিনিক। এ কারণে চরম অবহেলিত গ্রামটি।স্থানীয় তরুণ ও উদ্যোক্ত জাহাঙ্গীর কবিরের সহায়তায় ইতোমধ্যে গ্রামটিতে আলোর ভূবণ আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে এক স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গ্রামের শিশুরা স্কুলটিতে লেখাপড়াও করছে। এখন সে একটি হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। হাসপাতালটি নির্মিত হলে গ্রামের মানুষ উপকার পাবেন। হাসপাতাল নির্মাণে উদ্যোক্তাদের সার্বিক সহযোগিতা করার কথাও জানান তিনি।

বেরীবাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.জুলহাস উদ্দিন জানান, আলোর ভূবণ আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকাসহ সার্বিক বিষয়ে তরুণ প্রতিষ্ঠাতা জাহাঙ্গীর কবিরের পাশে ছিলেন তিনি। হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার কাজেও তার পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি।

গ্রামটিতে কোনো কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ না হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ওই সময় বর্তমান বেরীবাইদ ইউনিয়নের সকল গ্রাম ছিল অরণখোলা ইউনিয়ন পরিষদে অন্তর্ভুক্ত। এ কারণে ওই সময় বর্তমান বেরীবাইদ ইউনিয়নের মাত্র তিনটি গ্রামে একটি করে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মিত হয়। যার ফলে নবগঠিত বর্তমান বেরীবাইদ ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম রয়েছে এখন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র বঞ্চিত।

তিনি আরও জানান, ২০১৭ সালে ইউনিয়নটি গঠিত হলেও তাদের নেই নিজস্ব পরিষদ ভবন।

মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুবিনা আক্তার বলেন, ১০ শয্যা বিশিষ্ট আলোর ভূবণ হাসপাতাল নির্মাণের কোনো তথ্যই তার জানা নেই। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ব্যতিত প্রাইভেট হাসপাতাল বা ক্লিনিক নির্মাণ বিধি সম্মত নয়। এছাড়াও হাসপাতাল বা ক্লিনিক নির্মাণের অনুমতি দেয়ার বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের নয়।

ইউনিয়নের ছয়টি ওয়ার্ডে কোনো স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র বা কমিউনিটি ক্লিনিক না থাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নতুন কোনো কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণের উদ্যোগ আছে কিনা সেটি তার জানা নেই। কমিউনিটি ক্লিনিক গড়া সম্ভব না হলেও চিকিৎসা বঞ্চিত গ্রামবাসীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা জানিয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফা জহুরা বলেন, বিষয়টি আমি অবগত নই।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াহীদুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, এ বিষয়ে হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোক্তার কোনো আবেদন তিনি পাননি। তবে ভালো এ উদ্যোগের জন্য তাদের যতটুকু সহযোগিতা করা প্রয়োজন সেটি তিনি করবেন বলে জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ বিভাগের আরো সংবাদ