আজ ২রা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

ঘাটাইলে প্রধান সড়কের উপর বর্জ্য রেখে অপসারণের কাজ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌর এলাকার প্রাণকেন্দ্র পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রধান সড়কের উপর বর্জ্য রেখে অপসারণের কাজ পরিবেশের ও চলাচলকারী মানুষজনের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে পৌর মেয়র এলাকায় ময়লা-আবর্জনা রেখে অপসারণ করার বিকল্প অন্যত্র জায়গা না থাকায় সাময়িক এই অসুবিধা মেনে নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

জানা যায়, ঘাটাইল শহরের ব্যস্ততম পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এভাবে প্রতিদিন বর্জ্য রাখার ফলে আশেপাশের ব্যবসায়ী, ক্রেতা, বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়া-আসা করা যাত্রী সাধারণ, বিভিন্ন যানবাহনে চলাচলকারীদের মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদে নামাজ আদায় করতে আসা মুসল্লিদের বর্জ্যর দুর্গন্ধে স্বাস্থ্যহানি ঘটার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। এছাড়াও বর্জ্যর পচা দুর্গন্ধে বাসস্ট্যান্ড এলাকার ব্যবসায়ীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে বিরূপ প্রতিক্রিয়া। দেখা যায়, সাধারণ মানুষজন এই এলাকা এড়িয়ে চলছেন। এভাবে প্রকাশ্য বর্জ্য রেখে অপসারণের ফলে অনেকের মধ্যে রোগ ব্যাধিও বাড়ছে বলছে অভিযোগ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকার এক ব্যবসায়ী বলেন, প্রতিদিন শহরের প্রাণকেন্দ্র পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পুরো পৌরসভার বর্জ্য রেখে অপসারণের ফলে আশেপাশের সাধারণ মানুষ, যাত্রী, ব্যবসায়ী এবং ক্রেতারা নানা সমস্যার সন্মুখিন হচ্ছেন। ময়লা অপসারণ করার সময় দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষিত হয়। এতে আমাদের ব্যবসার ক্ষতি হচ্ছে, দুর্গন্ধের জন্য ক্রেতারা দোকানে আসতে অনিহা প্রকাশ করছেন।

আরেক ব্যবসায়ী বলেন, এভাবে প্রতিদিন বর্জ্য অপসারণের ফলে আমাদের অনেক অসুবিধা হয়। আমরা এর দ্রুত প্রতিকার চাই। সাধারণ মানুষ, ক্রেতা, যাত্রী, ব্যবসায়ী ও সকল প্রকার যানবাহন চালকরা এই সমস্যার দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা আশা করেন। বর্জ্য অন্যত্র বিকল্প এলাকার রেখে অপসারণের দাবী জানান তারা।

ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ড মসজিদে নামাজ পড়তে আসা এক মুসল্লি জানান, বাসস্ট্যান্ডের পূর্বপার্শে প্রধান সড়কের উপর এভাবে বর্জ্য রেখে অপসারণের ফলে আমরা সাধারণত রাস্তার পশ্চিম পাশ দিয়ে মসজিদে যাতায়াত করি। মসজিদের আশেপাশে এই বর্জ্য প্রকাশ্য না রেখে অন্যত্র বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ বলে মনে করেন তিনি।

এ বিষয়ে ঘাটাইল পৌরসভার মেয়র শহীদুজ্জামান খান শহীদ বলেন, পৌরসভার বর্জ্য অপসারণ নিয়ে আমরা দীর্ঘ সময় ধরে আসলেই একটি সমস্যা নিয়ে চলছি। পৌর এলাকায় ময়লা-আবর্জনা রেখে অপসারণ করার আর সুবিধাজনক বিকল্প জায়গা আপাতত না থাকায় সবাইকে সাময়িক এই অসুবিধা মেনে নেয়ার অনুরোধ জানান তিনি। বর্জ্য রাখার অন্যত্র জায়গা পাওয়া গেলে আমরা সেখানে রেখে তা অপসারণ করবো বলে সেসময় তিনি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ বিভাগের আরো সংবাদ