আজ ১২ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

চতুর্থ পর্যায়ে টাঙ্গাইলে ৫৬ হাজার ডোজ চীনের করোনা ভাইরাসের টিকা এসে পৌঁছেছে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ চতুর্থ পর্যায়ে টাঙ্গাইলে ৫৬ হাজার ডোজ চীনের করোনা ভাইরাসের টিকা এসে পৌঁছেছে। শুক্রবার (৯ জুলাই) বিকাল পাঁচটায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এই ভ্যাকসিন গ্রহণ করে।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোঃ শাহাবুদ্দিন বলেন, চতুর্থ ধাপে জেলায় ৫৬ হাজার ডোজ চীনের করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন শুক্রবার (৯ জুলাই) বিকালে এসে পৌঁছায়। আমরা এই ভ্যাকসিন গ্রহণ করে তা যথানিয়মে সংরক্ষন করেছি। সেখানে সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট ব্যবস্থা চালু করেছি। আর ভ্যাকসিনের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, চলতি বছরের গত (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলে ১২টি উপজেলায় একযোগে করোনা ভাইরাসের টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়। শুক্রবার (৯ জুলাই) চীনের করোনা ভাইরাসের টিকার চতুর্থ চালান জেলায় আসে। এই চালানে ৫৬ হাজার ডোজ টিকা এসেছে। গত (১৬ জুন) করোনা টিকার তৃতীয় চালান জেলায় আসে। এ চালানে ১৫ হাজার ৬০০ ডোজ চীনের টিকা আসে। জেলার মোট ৪২টি কেন্দ্রে টিকা প্রদান কার্যক্রম চালু রয়েছে।

গত (১৯ জুন) থেকে আবার করোনার টিকা দেয়া শুরু হয়েছে। গত (৭ এপ্রিল) করোনা টিকার দ্বিতীয় চালান জেলায় আসে। গত (৮ এপ্রিল) থেকে করোনা টিকার ২য় ডোজ দেয়া শুরু হয়। গত (৪ ফেব্রুয়ারি) প্রথম দফায় টাঙ্গাইলে ১ লাখ ২০ হাজার ডোজ করোনা ভ্যাকসিন আসে।

করোনা মোকাবিলায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী, সরকারি অন্যান্য সংস্থার সম্মুখসারির কর্মী, বয়োজ্যেষ্ঠ জনগোষ্ঠী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, সরকারের অত্যাবর্শক্রীয় অন্যান্য এজেন্সির সদস্যরা করোনার টিকা পাবেন। পর্যায়ক্রমে ১৮ বছরের উপরে সকলেই টিকা পাবেন। ১৮ বছরের নিচে, গর্ভবতী মা ও দুগ্ধদানকারী, গুরুত্বর অসুস্থ ও হাসপাতালে ভর্তিকৃত ব্যক্তিরা টিকা পাবেন না।

টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ৯টি কেন্দ্র এবং ১১টি উপজেলার প্রতিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনটি করে বুথ স্থাপন করা হয়েছে। প্রতি বুথে দুইজন করে টিকাদান কর্মী ও চারজন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এ বিভাগের আরো সংবাদ